বিলাসবহুল অফিসে মধ্যমনি হয়ে বসে আছেন এক নেতা। তাকে ঘিরে আছেন জনা ত্রিশেক তরুণ-যুবক। নেতার সামনে এক হাজার টাকা ও পাঁচশো টাকার অনেকগুলো বান্ডেল। আছে অন্যান্য অঙ্কের নোটও৷ বান্ডেল খুলে খুলে নেতা সেখান থেকে টাকা তুলে দিচ্ছেন সামনে থাকা তরুণ-যুবকদের হাতে। এমনই একটি দৃশ্য ভেসে বেড়াচ্ছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে। টাকা বিলি করা ওই নেতার পরিচয় খুঁজতে গিয়ে জানা গেছে, তার নাম মাসুদুর রহমান মাসুদ। রূপগঞ্জের বাসিন্দা মাসুদ নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি৷ চাঞ্চল্যকর ওই ভিডিও নিয়ে ইতোমধ্যে নারায়ণগঞ্জে শুরু হয়েছে তোলপাড়।
২৭ সেকেন্ড দৈর্ঘ্যের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, কালো পাঞ্জাবি পরিহিত মাসুদ প্রত্যেকের হাতে টাকা ধরিয়ে দিচ্ছেন৷ তাকে টাকা গুনতে সাহায্য করতেও দেখা যাচ্ছে একজনকে। একজন ছাত্রনেতার এই টাকার উৎস কী, তা নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়ে গেছে নেটিজেনদের মধ্যে৷ কেউ কেউ একে 'চাঁদাবাজির অর্থ' হিসেবে আখ্যা দিচ্ছেন৷ নেটিজেনদের কেউ কেউ বলছেন, 'আট মাস ধরে ক্ষমতার সর্বোচ্চ সুবিধা ভোগ করলেই এভাবে কর্মীদের মধ্যে বান্ডেল বান্ডেল টাকা বিতরণ করা যায়৷'
যদিও এসব মতামতকে উড়িয়ে দিতে চাচ্ছেন মাসুদ। নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক ওই সহসভাপতি মাসুদুর রহমান মাসুদ মোবাইল ফোনে বলেন, 'টাকাগুলো আমার ওয়াইফাই ও ডিস লাইনের ব্যবসার লাভের অংশ। আমি ১৫-১৬ বছর ধরে এই ব্যবসা করি। প্রতি বছর কর্মীদের পাঞ্জাবি কিনে দিলেও এবার সময়-সুযোগ না পাওয়ায় সরাসরি টাকা তুলে দিয়েছি৷
আপনার মতামত লিখুন :